
অসমে ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে বন্যা পরিস্থিতি। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও।
বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে বরাক, কোপিলি ও কোশিয়ারা নদীর জল। বরপেটা, কাছাড়,দররাং, ধেমাজি,গোয়ালপাড়া,কামরূপ এবং করিমগঞ্জে প্রায় ১.৫০ লাখ মানুষ বন্যার কবলে। অসমের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছ’লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বিঘার পর বিঘা জমি। ভেসে গিয়েছে একাধিক রাস্তাঘাট, সেতু। যার জেরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বহু এলাকার সঙ্গে।প্রভাব পড়েছে ট্রেন চলাচলেও। জলের তলায় চলে গিয়েছে অসংখ্য বাড়ি।রেমালের প্রভাবে অতিভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় অসমে। তারই জেরে রাজধানী গুয়াহাটি-সহ অসমের গ্রামের পর গ্রাম প্লাবিত। রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নগাওঁ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এই জেলাতেই বন্যাকবলিত মানুষের সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি। জল না কমলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
