
ফ্র্যাঞ্চাইজিতে দেওয়া সরকারি বাসে বাড়তি ভাড়া নিলে বাসমালিকের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করবে পরিবহণ দপ্তর, জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী। পাশাপাশি,ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নেওয়া সব বাসে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টাঙাতে হবে।
কাটা রুটে বাস চালানো যাবে না। এই বাসগুলো রাতে রাখতে হবে পরিবহণ নিগমের ডিপোতেই।কোনওরকম অনিয়ম হলেই সেই মালিকের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হবে।উল্লেখ্য,যে সমস্ত সরকারি বাস ফ্র্যাঞ্চাইজিতে বেসরকারি বাস মালিকদের দেওয়া হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে পরিবহণ দপ্তরের। কিন্তু নিয়ম মেনে সেই বাস চলছে না। এই সম্পর্কে খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে পরিবহণ দপ্তর। যে সমস্ত বাস সংগঠনের আওতায় এই রুটগুলো ফ্র্যাঞ্চাইজিতে দেওয়া হয়েছে, মঙ্গলবার তাঁদের তলব করা হয়। এদিকে,সরকারি বাস ফ্র্যাঞ্চাইজিতে বেসরকারি হাতে যেতেই একাধিক অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে প্রথম থেকেই।যাত্রীদের দাবি,নিজেদের মতো নয়া তালিকা বানিয়ে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকছে এইসব বাসের কন্ডাক্টররা।শুধু তাই নয়, যাত্রী কমে গেলে মাঝপথেই বাস থামিয়ে তা ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানে অটোর মতো রুট কাটছে এইসব বাস। ন্যূনতম ভাড়া আট টাকার বদলে নেওয়া হচ্ছে ১০ টাকা। সরকারি বাস দেখে যাত্রীরা উঠছেন,অথচ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ইচ্ছেমতো। যা নিয়ে নিত্যযাত্রীদের সঙ্গে হচ্ছে বচসা। সরকারি বাসে হাওড়া থেকে বারুইপুরের ভাড়া ১৭ টাকা। নেওয়া হচ্ছে ৩০ টাকা। বিষয়টির উপর তাই শুরুতেই লাগাম টানতে চাইছে দপ্তর। রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানিয়ে দেন, চুক্তির সময় সমস্ত নিয়ম বলা আছে। সেখানে লেখাই আছে, সরকার নির্ধারিত ভাড়াই যাত্রীদের থেকে নিতে হবে। অন্যথা হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবেই।
