
সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র-যুবদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যে পুলিশ-র্যাবের সঙ্গে সংঘর্ষে আন্দোলনকারীদের মৃত্যু বাড়ছে। আহতের সংখ্যা শতাধিক।
অন্যদিকে, অশান্তি থেকে পুলিশকর্মীদের রক্ষা করতে উদ্ধার করতে হেলিকপ্টার নামানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরা এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দুই আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়েছে।পাশাপাশি বাড্ডা এলাকায় গন্ডগোলের সময়ে পিটিয়ে খুন করা হয় এক পথচারীকে। ওই ব্যক্তি পেশায় ছিলেন মিনিবাসের চালক। বিক্ষোভকারীদের পাল্টা হামলায় কয়েকজন পুলিশকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। এই নিয়ে তিন দিনে সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনে মোট ন’জনের মৃত্যু হয়েছে বাংলাদেশে।মেরুল বাড্ডায় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ চত্বরে মারমুখী বিক্ষোভকারীদের হামলা থেকে বাঁচতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘরে আশ্রয় নিয়েছিলেন কয়েকজন পুলিশকর্মী। তাদের উদ্ধার করতে হেলিকপ্টার নামাতে হয়। উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, ৪০০ জনের বেশি আন্দোলনকারী আহত হয়ে তাদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন শহর বন্ধের চেহারা নিয়েছে। হাসপাতাল, সংবাদমাধ্যম এবং জরুরি পরিষেবা ছাড়া প্রায় সমস্ত বেসরকারি দফতর, দোকান-বাজার বন্ধ।




