
রেঞ্জারের জন্যই ওই পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। মহিলা রেঞ্জারকে কুকথা-হুমকি দেওয়ায় সর্বত্র তিব্র নিন্দার পরেও এতটুকু অনুতপ্ত নন কারামন্ত্রী অখিল গিরি।
উল্টে মহিলা আধিকারিকের ওপর দায় চাপাতে মরিয়া তিনি। মন্ত্রী হিসেবে যা বলেছেন তার জন্য হয়ত তিনি অনুতপ্ত। তবে বিধায়ক হিসেবে ওই এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো ছিল। তাই তিনি পাশে দাঁড়িয়েছেন। তীব্র নিন্দার মুখেও এমনই দাবি করেছেন কারামন্ত্রী অখিল গিরি। এদিকে মহিলা রেঞ্জারকে মন্ত্রী অখিল গিরির শাসানির ২৪ ঘণ্টার পরেও এখনও পদক্ষেপ করেনি সরকার। দলের তরফেও রামনগরের বিধায়কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি তৃণমূল। মহিলা রেঞ্জ অফিসার মণীষা সাউকে লাঠি দিয়ে পেটানোর হুমকি দিয়েছিলেন কারামন্ত্রী। এমনকি তাঁকে বেয়াদপ, জানোয়ার বলেও আক্রমণ করেছিলেন।
