
মহিলা রেঞ্জ অফিসারকে হুমকিকাণ্ডে শেষপর্যন্ত কারামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অখিল গিরি।
সাফ জানিয়েছেন মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে পদের দরকার হয় না। তিনি রামনগরের বিধায়ক। রামনগরের বিধায়ক হিসেবেই মানুষের জন্য কাজ করবেন। কাজ করার জন্য মন্ত্রিত্বের দরকার পড়ে না। তবে কোনওভাবেই মহিলা ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার মণীষা সাউয়ের কাছে ক্ষমা চাইবেন না। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোনওদিন কোনও আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাননি। সমালোচিত হলেও ঘটনার জন্য অনুতপ্তও নন। পদত্যাগের পরেও নিজের অবস্থানে অনড় অখিল গিরি। ফের একবার বলেছেন উচ্ছেদের সময় আরও মানবিক হওয়া উচিত ছিল বন দফতরের। অখিল গিরি জানিয়েছেন ইস্তফাপত্র লিখে ফেলেছেন। সোমবার লিখিতভাবে তা জমা দেবেন। বনদফতের মহিলা রেঞ্জ অফিসার মণীষা সাউকে শাসানি দেওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই সর্বত্র সমালোচনা শুরু হয়। তৃণমূলের তরফেও অখিল গিরির মন্তব্যে তাঁকে ভর্ৎসনা করা হয়। এরপরেই রবিবার সকালে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি টেলিফোনে অখিল গিরিকে জানিয়ে দেন যে মহিলা অফিসারকে তিনি অপমান করেছিলেন তাঁর কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে না হলে পদত্যাগপত্র পাঠাতে হবে। এরপরেই কারামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ ঘোষণা করেছেন অখিল গিরি।
