
পিস ওয়ার্ল্ড থেকে যখন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-র দেহ বেরিয়েছে বিধানসভার পথে, তার অনেক আগের থেকেই আলিমুদ্দিনে মুজফফর আহমেদ ভবনে লম্বা লাইন জমে গিয়েছে প্রিয় নেতাকে চোখের দেখা দেখতে।
এরপর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-র দেহ পৌঁছতে কেউ ধরে রাখতে পারেনি চোখের জল। কেউ আবার ফিরে গিয়েছেন পরনো দিনে। সিপিএমের রাজ্য দফতরেই একসময় দু’বেলা বাধা ছিল তাঁর আসা। একবার সকালে এবং একবার সন্ধের পরে আলিমুদ্দিনে গিয়ে কখনও করেছেন মিটিং, কখনও বইয়ের পাতায় ডুবে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেও সেই অভ্যাসটা পাল্টান নি বুদ্ধদেব। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে সেকথাই বলেছেন বিমান বসু। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে সিপিএমের রাজ্য দফতরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে একে একে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সিপিএমের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট, সিপিআইয়ের রাজ্য সম্পাদক ডি রাজা, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, দলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য-র মন্ত্রিসভার সদস্য সমাজবাদী পার্টির নেতা কিরণময় নন্দও। বুদ্ধদেববাবুকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন কেরল, তামিলনাডু, অন্ধ্রপ্রদেশ সহ একাধিক রাজ্যের বাম নেতা কর্মীরা। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে দূরদুরান্তের জেলা থেকে ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ। সেই লাইন যত বেলা বেড়েছে ততই দীর্ঘ হয়েছে।






