
আর জি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার।
লালবাজার সূত্রে খবর সিসিটিভি ফুটেজে সেমিনার হলের সামনে ৪ জনের গতিবিধি ধরা পড়েছে। এরপর ৪ জনকে জেরা করা হয়। সঞ্জয়ের কথায় অসঙ্গতি মেলায় তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে আরও খবর নির্যাতিতা চিকিৎসক ঘটনার দিন রাত ১২টার সময় অলিম্পিক দেখছিলেন। অলিম্পিক দেখার সময় একটা ফুড ডেলিভারি সংস্থার থেকে খাবার অর্ডার করেন। এরপর আরও কয়েকজন ডাক্তার বন্ধুকে ডেকে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করে। খাওয়াদাওয়ার পর ডাক্তার বন্ধুরা চলে যান। এরপর তরুণী ওই চিকিৎসক রেস্ট নিতে সেমিনার রুমে যান। রাত ৩টে পর্যন্ত ওই তরুণী চিকিৎসককে ওখানে বিশ্রাম নিতে দেখা গিয়েছে বলে খবর। এরপরে আর কোনও তথ্য নেই। পুলিশের অনুমান রাত ৩ টের পর থেকে ৬টার মধ্যে ঘটনাটা ঘটেছে। সিসিটিভিতে দেখা যায় গলায় হেডফোন ঝুলিয়ে সেমিনার রুমে ঢুকছে সঞ্জয়। ৩০ মিনিটের ব্যবধানে সেমিনার রুম থেকে বেরোনোর সময় সঞ্জয়ের গলায় হেডফোন ছিল না। সেমিনার রুমে পড়েছিল একটি ব্লুটুথ হেডফোনের ছেঁড়া তারের অংশ। সেই সূত্রেই সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর।
