
গাড়ির মধ্যেই খুন করে খালে ফেলে দেওয়া হয়েছিল রেহানা খাতুন ও তাঁর নাতিকে। আনন্দপুরের বামনঘাটা খালে তল্লাশি চালিয়ে বৃহস্পতিবার উদ্ধার হয় ৫ বছরের নাতি মহম্মদ আরিসের দেহ।
বুধবার সকালে নোনাডাঙায় ঝোপের মধ্যে উদ্ধার হয় মহিলার রক্তাক্ত দেহ। এরপরেই তদন্তে নেমে ট্যাক্সি চালক ভিকি সাউ এবং তাঁর এক নাবালক সঙ্গীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু খোঁজ মিলছিল না নাতির। ভিকিকে জেরা করে বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দপুর খাল থেকে উদ্ধার হয় ছোট্ট আরিসের দেহ। পুলিশের অনুমান গাড়ির মধ্যেই খুন করা হয়েছিল রেহেনা এবং তাঁর নাতিকে। তারপর রেহানার দেহ ফেলা হয় নোনাডাঙার ঝোপে এবং নাতির দেহ ফেলা হয়েছিল বাসন্তী হাইওয়ে লাগোয়া খালে। রেহানা-র বাড়ি নারকেলডাঙায়। তাঁর তপসিয়ায় পাঁচতলা বাড়ি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া অভিযুক্ত ভিকি। মঙ্গলবার ভাড়া আনতেই I তপসিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন রেহানা। তারপর থেকে খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ভিকিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
