
আর জি কর-এর মর্গ থেকে দেহ পাচার টাকার বিনিময়ে অঙ্গ প্রতঙ্গ বিক্রির অভিযোগে তদন্ত করতে নামলো সিবিআই।বৃহস্পতিবার সকালে সিবিআইয়ের পাঁচজনের প্রতিনিধি টিম আর জি কর-এর প্লাটিনাম জুবলী বিল্ডিংয়েে তদন্ত শুরু করেছে।
ক’দিন আগেই আর জি কর-এর এক হেড ক্লার্ক অভিযোগ করেছিলেন, মৃতের আত্মীদের দেহ দেখানো থেকে শুরু করে হস্তান্তর এমনকি মৃতদেহের সেলাই করতেও টাকা নেওয়া হয়। এবং সেই টাকার অনেক কোনও অংশেই দশ হাজার টাকার কম নয়। প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের মদতেই মর্গের মৃতদেহ কেন্দ্র করে এই অসাধু এবং দুর্নীতি চক্র সক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ। তার প্রেক্ষিতেই পুলিশ মর্গ সহ এলাকায় জিজ্ঞাসবাদ এবং খোঁজখবর শুরু করেছে সিবিআই। আর জি করে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা করেছিলেন প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি। সেই মামলার তদন্তে আর জি কর মেডিক্যালে গিয়েছে সিবিআই। এদিকে আর জি কর-এ সেমিনার রুম সংলগ্ন শৌচাগার ভাঙার সিদ্ধান্ত একা সন্দীপ ঘোষের নয়, সম্মতি আসে স্বাস্থ্যভবন থেকে, এমনটাই খবর সিবিআই সূত্রে। পূর্ত দফতরকে লেখা সন্দীপের একটি চিঠির প্রতিলিপি সামনে এসেছে। আর তাতেই সেমিনার রুম সংলগ্ন শৌচাগার ভাঙায় স্বাস্থ্যভবনের সম্মতির কথা জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার সম্মতিতেই শৌচাগার ভাঙা হয় বলে সন্দীপের সই করা অর্ডারের কপিতে ধরা পড়েছে। গত ১০ অগাস্ট পূর্ত দফতরের সিভিল এবং ইলেক্ট্রিক্যাল বিভাগকে ওই চিঠি দেন সন্দীপ।
