
কলতান কৃষ্ণ, আর অর্জুন সঞ্জীব। অডিও ক্লিপ কাণ্ডে আদালতে দাবি করেছে রাজ্য। ফোনে কথোপকথনের যে অডিও রেকর্ডিংয়ের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে কলতানকে পুলিশ, পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট। কলতানের গ্রেফতার নিয়ে বৃহস্পতিবার শুনানি ছিল হাইকোর্টে।
সেখানে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানতে চেয়েছেন যে পেনড্রাইভ পুলিশের কাছে এসেছে এবং যেখান থেকে অডিও ক্লিপটি এসেছে সেই সোর্সকে কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পুলিশ সঞ্জীব দাস এবং কলতান দাশগুপ্তকে গ্রেফতার করার আগেই একজন রাজনীতিক অডিও ক্লিপের বিষয়টি নিয়ে কিভাবে সাংবাদিক বৈঠক করতে পারেন তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি। আর জি করকাণ্ডে জুনিয়র ডাক্তারদের ওপর হামলার পরিকল্পনা শোনা গিয়েছিল ওই অডিও ক্লিপে, যা সামনে এনেছিলেন কুণাল ঘোষ। আদালতে রাজ্য জানায় ৫ মাসে কলতান এবং সঞ্জীবের ফোনে ১৭১ বার কথা হয়েছে। ৬ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩ বার কথা হয়। আদালতে রাজ্যের বক্তব্য এই ঘটনায় কলতান কৃষ্ণ আর সঞ্জীব অর্জুনের ভূমিকা পালন করেছে। মাথা ফাটানোর প্রশ্নের উত্তরেও কলতান না বলেননি। সাহেব, বাপ্পা দা ও দাদুকে খুঁজে বের করতে কলকাতানকে জেরা প্রয়োজন। আদালতে কলতানের হয়ে সওয়ালে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন কলতান আর জি কর আন্দেলনের সঙ্গে যুক্ত, তাই তাঁকে বদনাম করতে চক্রান্ত হয়েছে।







