
৮৫ হাজারে কি হয়, কমিটিগুলোকে ১০ লাখ দিন। পুজো অনুদান না আটকেও রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির।
৮৫ হাজার টাকা কমিটির কার্যকরীর সদস্যদের কাজে লাগে। পুজো অনুদান ৭০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৮৫ হাজার করেছে রাজ্য সরকার। জনগণের করের টাকায় কেন পুজোয় অনুদান, এই প্রশ্নে দুর্গাপুজোয় রাজ্য সরকারের অনুদানের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থ মামলা করেন দুর্গাপুরের বাসিন্দা। সেই মামলায় শুনানিতে হাইকোর্ট রাজ্যকে কার্যত ব্যঙ্গ করে বলেছে ৮৫ হাজার টাকায় প্যান্ডেল বা পুজোর কোনও কাজ সম্ভব নয়। এই টাকায় খুব বেশি হলে একটা তাবু বানানো যেতে পারে। না হলে কার্যকরী কমিটির সদস্যদের কাজে লাগতে পারে। প্রধান বিচারপতি আরও বলেছেন তিনি ২ বছর পুজোয় ঘুরে দেখেছেন এই টাকায় কিছু হওয়া সম্ভব নয়। অনুদানের টাকা ১০ গুণ বাড়ানো হলে সেটা পুজোর কাজে লাগতে পারে। রাজ্যে দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য সরকার ১ হাজার টাকা দেয়। তাঁদের আরও বেশি প্রয়োজন। সরকারের বিবেচনা করলে ভাল হয়। তিনি আরও বলেছেন ২৩ বছরে কাজ করে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার টাকা নিয়ে কর্মীরা অবসর নিচ্ছেন। পিডব্লউডির কিছু কর্মী দাবিপত্র জমাও দিয়েছেন। এরপরেই প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেছেন এই মুহূর্তে অনুদানের টাকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাই আটকানোর নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়। সব পক্ষকে হলফনামা আদানপ্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।








