
কুড়ি বছর পর সুপ্রিম কোর্টে আর জি কর-মামলার শুনানি চলাকালীন উঠে এসেছে ২০০৩ সালে হাসপাতালে জাল ওষুধের চক্রের প্রতিবাদ করা ডাক্তার চন্দন সেন মৃত্যুর প্রসঙ্গ। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আর জি কর মামলার শুনানি চলাকালীন জনস্বার্থ মামলাকারীর আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি অভিযোগ তোলেন, আর জি কর-এর নির্যাতিতার মতই রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে জাল ওষুধে চক্র-র প্রতিবাদ করার জন্য ২০০৩ সালে চন্দন সেন নামে এক চিকিৎসক মারা গিয়েছিলেন।
আর এক্ষেত্রেও আর জি কর- নিহত তরুণী চিকিৎসক অন্যায়ের প্রতিবাদ করার চক্রান্তের শিকার হতে পারেন। বস্তুত, ২০০৩ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অনেক রাতে পুকুরে ভাসতে দেখা যায় রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের শল্য চিকিৎসক চন্দন সেনের নিথর দেহ। ওই রাতে নোকারি এলাকায় হাসপাতালের এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর বাড়িতে খানাপিনার নিমন্ত্রণ ছিল তাঁর। আর ফেরেননি। ওই বাড়ির পাশেই পুকুরে মেলে তাঁর দেহ।








