
রাতভর বাঁশদ্রোণী থানায় ধর্ণার পর গ্রেফতার এবং পরবর্তিতে ১ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে আলিপুর আদালতে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। বাঁশদ্রোণীতে পথ দুর্ঘটনায় এক পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার রাত থেকে বাঁশদ্রোণী থানায় ধর্নায় বসেছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজার নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করানো হয়েছিল। আদালতে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন করেন। পুলিশের তরফে পাল্টা তাঁর জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছিল। সরকারি আইনজীবী জানান, থানার মধ্যে ঢুকে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন রূপা। তাঁর জন্য পুলিশের কাজে ব্যাঘাত ঘটেছিল। সেই কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু রূপার আইনজীবী জানান, তিনি একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী। কিশোরের মৃত্যুর পর বাঁশদ্রোণীতে বিক্ষোভ চলাকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ কয়েক জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন বিজেপি কর্মীও ছিলেন। তার প্রতিবাদে রূপা থানায় গিয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, যে জেসিবির ধাক্কায় ছাত্রের মৃত্যু ঘটল, তার চালককে গ্রেফতার করা হয়নি কেন। দু’পক্ষের সওয়াল শুনে আলিপুর আদালতের বিচারক এক হাজার টাকার বন্ডে রূপার জামিন মঞ্জুর করেন। ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এর আগে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ ভুল করেছে। আলিপুর কোর্টে প্রবেশের সময় এমনটাই জানিয়েছিলেন বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা জানিয়েছেন, রূপা থানার কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিলেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে।








