
সন্ত্রাসবাদ ও বাণিজ্য একসঙ্গে হতে পারে না। পাকিস্তানকে দাঁড়িয়ে এসসিও সামিটে এমনই মন্তব্য করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
মঙ্গলবার ৯ বছর পর ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী হিসেবে ইসলামাবাদে গিয়েছেন এস জয়শঙ্কর। আর বুধবার এসসিও সামিটে ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতির বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন এস জয়শঙ্কর।বিদেশমন্ত্রী বলেছেন, এটা স্বতঃসিদ্ধ যে উন্নয়ন ও আর্থিক বৃদ্ধির জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা জরুরি। যদি সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ চলতেই থাকে, তবে বাণিজ্য, শক্তির আদানপ্রদান, মানুষে মানুষে সম্পর্ক হতে পারে না। বর্তমান সময়ে সন্ত্রাসবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াই আরও বেশি করে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বায়নের যুগে পারস্পরিক নির্ভরতার প্রসঙ্গ টেনে এসসিও অন্তর্ভুক্ত দেশগুলিকে আরও বেশি করে একজোট হওয়ার বার্তা দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর কথায়, সম্পর্কের উন্নতির জন্য ভাল প্রতিবেশী হয়ে উঠতে হবে, প্রয়োজনে স্বচ্ছতার সঙ্গে আলোচনা চালাতে হবে। সহযোগিতা অবশ্যই পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সার্বভৌমত্বের মর্যাদার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয় প্রকৃত বন্ধুত্ব। কোনও একতরফা এজেন্ডা হতে পারে না। এছাড়াও গোটা বিশ্বের সামগ্রিক উন্নয়নে ভারতের বৈশ্বিক উদ্যোগের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এস জয়শঙ্কর।
সেই তালিকায় রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে আন্তর্জাতিক জোট, দুর্যোগ প্রতিরোধ পরিকাঠামো নির্মাণে জোট, মিশন লাইফ, যোগের প্রচার, গ্লোবাল বায়োফুয়েল অ্যালায়েন্স, আন্তর্জাতিক বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স। একই সঙ্গে চলতি বছরে এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে সভাপতিত্বের জন্য পাকিস্তানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সা জয়শঙ্কর।
ছবি সৌজন্যে : এক্স








