
দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীর ধর্ষণ-মৃত্যুকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি স্পেশ্যাল ইনভেসটিগেশন টিম সিট গঠন করা হয়েছে।
নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানিয়েছেন, এডিজি দক্ষিণবঙ্গ সুপ্রতিম সরকার। ওই ঘটনার তদন্তে সিআইডি-র সাহায্যও নেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন তিনি।
সুপ্রতিম সরকার আরও বলেছেন, মৃতের পূর্ব পরিচিত ছিল ধৃত রাহুল। তাকে এক দফা জেরা করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ কী, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই জানা যাবে। সিট গঠন করা হয়েছে। তদন্তে সবদিক খতিয়ে দেখা হবে।সিআইডি-র সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন পরিবারের পাশে পুলিশ অবশ্যই থাকবে। ঘটনায় কি একাধিক লোক জড়িত প্রসঙ্গে সুপ্রতিম সরকার বলেছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, ফরেন্সিক রিপোর্ট না দেখে এসব বলা সম্ভব নয়। তিনি বলেছেন, ঘটনার নেপথ্যে সব সম্ভাব্য কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞেরা এসেছেন। আশাবাদী, সত্য প্রকাশ পাবে। তাঁর মন্তব্য, শোকগ্রস্ত ওই পরিবারের দাবির প্রতি তাঁদের পূর্ণ মর্যাদা রয়েছে।
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব








