
থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত ৫১ জন ডাক্তারদের সাসপেনশন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশ ছাড়া কাউন্সিলের সাসপেনশন ও বহিস্কার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে কৌশিক চন্দের অবকাশকালীন বেঞ্চ।
তারা সিদ্ধান্ত না নেওয়া পর্যন্ত ৫ অক্টোবর ৫১ জনকে সাসপেন্ড করে যে রেজোলিশন নেওয়া হয়েছিল তা কার্যকর হবে না। সোমবার নবান্নের বৈঠকে আর জি করের জুনিয়র ডাক্তারদের সাসপেনশন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন ছিল কিভাবে রাজ্যকে না জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলেজ কর্তপক্ষ। মঙ্গলবার কার্যত সেই বক্তব্যই শোনা গিয়েছে হাইকোর্টে। সাসপেন্ড হওয়া ৮ চিকিত্সক হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সাসপেন্ড হওয়া চিকিত্সকদের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন কি কারণে সাসপেন্ড করা হয়েছে তা নিয়ে স্পষ্ট করে রেজোলিউশনে কিছু বলা হয়নি । কোনও সঙ্গত কারণ ছাড়াই ৫১ জনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে । রিড্রেসাল সেলের প্রধান মুখ্যসচিব। কলেজ শুধু অভিযোগ ওই কমিটির কাছে পাঠাতে পারে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। কাউকেই বহিস্কার করা হয়নি বলে সওয়াল করে আর জি কর মেডিক্যালের আইনজীবী। ৫০০ জন রেসিডেন্ট ডাক্তার এদের বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগ করেছেন। অথচ মামলায় পার্টি না করে কীভাবে মামলা।
প্রশ্ন তুলেছেন অনিকেত মাহাতদের আইনজীবী। পার্টি হতে চাইলে আবেদর করতে পারে রেসিডেন্ট চিকিত্সক সংগঠন। মন্তব্য করেছেন বিচারপতি।
ছবি সৌজন্যে : কলকাতা হাইকোর্ট








