
শক্তি বাড়িয়ে মধ্যরাতেই প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে দানা। উপকূলের দিকে আরও এগিয়েছে দানা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে , পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর থেকে ক্রমে উত্তর-পশ্চিম দিকে সরছে দানা।
ওড়িশার ভিতরকণিকা থেকে ধামারার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল হবে বলে জানানো হয়েছে । স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় এর গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটারও হতে পারে। বুধবার রাত থেকেই ওড়িশার উপকূলবর্তী এবং উত্তরের জেলাগুলিতে দুর্যোগ শুরু হয়েছে । উত্তাল রয়েছে সমুদ্রও। বৃষ্টি হচ্ছে কেন্দ্রাপাড়া, ভদ্রক, বালেশ্বরে। ধামারা বন্দরের যাবতীয় কাজ ইতিমধ্যেই স্থগিত রাখা হয়েছে। কর্মীরাও বন্দর ছেড়েছেন। ওই অঞ্চলের পার্শ্ববর্তী অংশে উদ্ধারকারী দলকে মোতায়েন রেখেছে ওড়িশা প্রশাসন। উদ্ধারকারীদের ১৮২টি দলকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ওড়িশার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক রাজ্যবাসীকে ভয় না পাওযার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি সতর্কতা অবলম্বনের কথা জানিয়েছেন ।
ইতিমধ্যেই সে রাজ্যের উপকূলবর্তী অঞ্চল থেকে অন্তত ১০ লক্ষ মানুষকে বিভিন্ন ত্রাণশিবির এবং ফ্লাড সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ।





