
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঘরে বাইরে মনে থাকলে স্পষ্ট বোঝা যায়, সংখ্যাগুরুর স্বৈরাচার রবীন্দ্রনাথের তীব্র ভাবে অপছন্দ ছিল। ইন্ডিয়ান ডায়াস্পোরা ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো সমিতির ডাকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ও রাজনীতি শীর্ষক অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন।
এর আগে সুগতও প্রাক্-স্বাধীন ভারতে হিন্দু, মুসলিম সংঘাত নিয়ে রবীন্দ্রনাথের অবস্থান প্রসঙ্গে ঘরে বাইরে-র কথাই বলেছিলেন। তাঁর উপন্যাসে স্বদেশি আন্দোলনের নামে গরিব মুসলিম চাষি, দোকানদারদের উপরে জুলুমবাজির কড়া সমালোচনাই করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বকবির ভারত-ভাবনার পিছনেও জনগণমন অধিনায়ক গানটির দ্বিতীয় স্তবকের ভাবনা মেলে ধরেন সুগত। যেখানে হিন্দু বৌদ্ধ শিখ জৈন পারসিক মুসলমান খ্রিস্টানিকে নিয়ে পূর্ব, পশ্চিমের প্রেমহার গাঁথার কথা বলেছেন কবি।মূল আলোচনায় রবীন্দ্রজীবনের ওই শেষ পর্বে বিভিন্ন তাঁর দেশে সফর, লেখালিখি এবং সমকালীন রাজনীতির হাত ধরাধরির কথাই উঠে এসেছে সুগতের বক্তৃতায়। ১৯২৪-২৫ এ রবীন্দ্রনাথ চিন, জাপান এবং পরে আর্জেন্টিনা সফরে ব্যস্ত।
এক ধরনের অধ্যাত্মচেতনার বন্ধনে তিনি এশীয় ঐক্যর স্বপ্ন দেখছেন তখন। চিনের মানুষ সেই রবীন্দ্র আধ্যাত্মিকতাকে পুরোটা বোঝেনি।
ছবি সৌজন্যে : এক্স
