
ষষ্ঠীতে উদ্বোধনের পর থেকেই মানুষের ঢল নামছিল, নবমীতে তা জনসমুদ্রের রূপ নিয়েছে। সকাল থেকেই মন্ত্রোচ্চারণ, অঞ্জলী, কুমারিপুজোর মাধ্যমে চন্দননগরের নামকরা সব সর্বজনীনে দেবী জগদ্ধাত্রীর পুজো সম্পন্ন হয়েছে।
এরপরেই রাস্তা দখলে চলে গিয়েছে মানুষের। ভিড় এড়াতে সকাল সকাল বাগবাজার সর্বজনীন, তেঁতুলতলা, বাগবাজার চৌমাথা, নতুনপাড়া, নিয়োগীবাগান লম্বা লাইন পড়েছে। প্যান্ডেল হপিংয়ে সঙ্গে দেদার খাওয়াদাওয়া। পুরো পুজোর মুডে চন্দননগর। চন্দননগর মানেই বিশাল বিশাল প্রতিমা আর আলোর রোশনাই। গলি থেকে রাজপথ সেজে উঠেছে আলোর মালায়। থিম আর চোখ ধাঁধানো আলোর খেলা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষের এখন ডেস্টিনি চন্দননগর। তবে দর্শনার্থীদের মনে চাপা কষ্টও রয়েছে।
রাত পোহালেই বিষাদের সুর বাজবে ফরাসডাঙায়। সোমবারই দশমী, আর দেবী জগদ্ধাত্রীর বিদায়ে দিন। তাই শেষদিনটাতে চুটিয়ে আনন্দ করে নিতে চাইছে প্রত্যেকে।








