
একটা সময় বয়সকে হাতের মুঠোয় রাখতে কমবেশি সকলেই চান। ওদিকে বার্ধক্যকে ঠেকিয়ে রাখার অদম্য বাসনা থেকেই নানা গবেষণা চলছে বিশ্ব জুড়ে।
বয়স কমানোর কৌশল খুঁজে বার করতে সব রথী-মহারথীরা বিভিন্ন রকমের পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। বয়সের চাকা উল্টো দিকে ঘোরাতে কেউ ওষুধের উপর নির্ভর করেন, কেউ আবার ওষুধের পাশাপাশি ভরসা রাখেন প্লাজ়মা থেরাপির উপর। তবে এ সবের পাশাপাশি ডায়েট এ শরীরচর্চার পাশাপাশি ঘুমের দিকেও নজর দেওয়া বেশ জরুরি । বলা হচ্ছে শরীর ও মনকে চাঙ্গা রাখতে ঘুম জরুরি। অনিদ্রার কারণে শরীরের পক্ষে মারাত্মক হতে পারে। বলা হচ্ছে,শরীর ও মনের যত্ন করতে চাইলে গভীর ঘুমের দিকে নজর দিতেই হবে।ঠিকঠাক ঘুম না হলে কিন্তু শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এখন প্রশ্ন হলো কী ভাবে অনিদ্রার সমস্যা দূর করা সম্ভব।অন্যদিকে গভীর ঘুম সাধারণত ঘুমের শুরুর দিকেই হয়। ঘুমের ডাটা দেখলে বুঝতে পারা যায়, সাধারণত রাতের শুরুর দিকেই গভীর ঘুমটা হয়, কখনও কখনও ভোরের বেলাতেও গভীর ঘুম এলেও, রাতের দিকের ঘুমটা বেশি ভাল হয়।আসলে শরীর চাঙ্গা রাখতে, পেশির পুনর্গঠনের জন্য,শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে, তারুণ্য ধরে রাখতে ঘুম ভীষণ জরুরি। ওদিকে প্রশ্ন হলো কী ভাবে গভীর ঘুম আসবে? প্রথমেই বলা ভালো, ঘুমোনোর অন্তত ঘণ্টা দুয়েক আগে রাতের খাবার সেরে ফেলতে হবে।ঘুমোতে যাওয়ার আগে ৩০ থেকে ৬০ মিনিট একটা রুটিন বেঁধে ফেলতে হবে। ওই সময় হাঁটতে যেতে পারেন, বই পড়তে পারেন, ধ্যান কিংবা শ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। সারা দিনের দৌড় ঝাঁপের থেকে এই সময় নিজেকে শান্ত করুন। সমস্ত স্ক্রিন বন্ধ করে দিন, ঘরের উজ্জ্বল আলোগুলি নিভিয়ে দিন।
ভাল ঘুমের জন্য শরীর ও মনকে তৈরি করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। পাশাপাশি রাতের বেলা ভাল ঘুমের জন্য কফি ও মদ্যপান এড়িয়ে চলুন।
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল
