
৩ দিন আগে, মায়া গগৈ এক যুবকের সঙ্গে ওই সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টে আসেন। ইতিমধ্যে রিসেপশনের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে ২৩ নভেম্বর আরভ হারনি নামে এক যুবক তরুণীর সঙ্গে ওই অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ২৪ নভেম্বর মায়াকে ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয় এবং এরপর অভিযুক্ত দুই দিন ধরে তার দেহের সঙ্গে একই ঘরে ছিল। মঙ্গলবার সকালে সে পালিয়ে যায়, যা পুরো ঘটনার রহস্যকে আরও জটিল করে তুলেছে।
তরুণী কোরামঙ্গলায় চাকরি করতেন এবং তার পেশাগত জীবন সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ করতে পুলিশ একটি দল পাঠিয়েছে সেখানে। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ ডি দেবরাজ জানিয়েছেন যে অভিযুক্ত যুবক কেরলের বাসিন্দা এবং তারা তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা করছে। এই হত্যাকাণ্ডটি শুধু একটি অপরাধ নয় বরং সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, যা আমাদের সকলকে ভাবতে বাধ্য করছে。
এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে; অনেকেই নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি তুলে ধরছেন এবং নারীদের সুরক্ষিত রাখার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করছেন। বেঙ্গালুরু শহরের মতো উন্নত নগরীতে এমন ঘটনা সত্যিই উদ্বেগজনক এবং এটি আমাদের সমাজের অন্ধকার দিকগুলিকে প্রকাশ করে দেয়। আশা করা হচ্ছে যে দ্রুততম সময়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে যাতে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধ করা যায়。
