
ওপারে মহম্মদ ইউনূস যা, এপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাহাই। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে সনাতনী সমাজের মঞ্চ থেকে এভাবেই সুর চড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।
তাঁর কথায় বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বাড়ি ভাঙচুর হচ্ছে, এপারেও ফালাকাটা থেকে বেলডাঙায় একই ঘটনা ঘটেছে। এপারে সংখ্যালঘুদের সভায় বাধা না হলেও সনাতনীদের সভা করতে হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিতে হয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আরও বলেছেন এখনও সনাতনীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি। একুশে সনাতনীকে ঐক্যবদ্ধ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নন্দীগ্রামে হারিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন। তিনি আওয়াজ তুলেছেন এই লড়াই অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।
এদিকে এতকিছুর পরেও ভারত সরকার চুপ কেন প্রশ্ন তুলেছেন কার্তিক মহারাজ। তিনি বলেছেন চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মুক্তি না দিলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে। বাংলাদেশে আলু-পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের দাবি তুলেছেন কার্তিক মহারাজ।
