
এবার প্রাথমিকেও সেমিস্টার পদ্ধতি শুরুর কথা জানিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই পদ্ধতিতে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা এবং মূল্যায়ন করা হবে।
পাশাপাশি বছরে একবার নয়, দুবার পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এজন্য সিলেবাসে বড় বদল হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গৌতম পাল। পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে আগে বছরে একবার পরীক্ষা নেওয়া হত। তার ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করার ব্যবস্থা ছিল। তবে এবার ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম সেমিস্টারে ৪০ এবং পরের পরীক্ষা হবে ৬০ নম্বরে। ৪০ নম্বরের মধ্যে ২০ নম্বর উপস্থিতি, আচরণের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করবে। বাকি ২০ নম্বর থাকবে বিভিন্ন প্রজেক্টের ভিত্তিতে বাকি ৬০ নম্বরের দ্বিতীয় সেমিস্টার হবে পুরোটাই লিখে পরীক্ষা দিতে হবে। অন্যদিকে এবার থেকে প্রশ্নপত্র তৈরির দায়িত্ব আর স্কুলের হাতে থাকছে না।
প্রাথমিকের প্রশ্নপত্রও তৈরি করবে পর্ষদ। রাজ্যজুড়ে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে। তবে খাতা দেখবেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা।






