
বর্ষবরণের আগে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে। বিগ্রহ দর্শনের জন্য তিন ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে অভিযোগ অধিকাংশ পুণ্যার্থীর।
নতুন বছরের আগে বিপুল সংখ্যক ভক্ত সমাগমের কথা মাথায় রেখে একাধিক বন্দোবস্ত করেছিল ওড়িশা প্রশাসন ও মন্দির কর্তৃপক্ষ। তা সত্ত্বেও পুরীতে ভিড় সামাল দিতে নাজেহাল অবস্থা বছরের শেষ দিনে।আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও তিন ঘণ্টা ধরে মন্দিরের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে ভক্তদের। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দর্শনার্থীরা।পুরীর জগন্নাথ মন্দির চত্বরকে সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। বর্ষশেষে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সিংহদুয়ার থেকে দর্শনার্থীদের প্রবেশের বন্দোবস্ত করা হয়েছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে। বাকি তিনটি গেট দিয়ে পুণ্যার্থীদের বের করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও সিংহদুয়ারের সামনে ভিড়ে ঠেলাঠেলির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রাতভর পুরীর মন্দিরের দরজা খুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শ্রীমন্দির কর্তৃপক্ষ। বর্ষবরণের রাতেও জগন্নাথদেবের দর্শন করতে পারবেন ভক্তরা। ১ জানুয়ারি ইংরেজি নববর্ষের ভোরেও দর্শন মিলবে জগন্নাথদেবের।
