
কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গেই ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান দল লিবারাল পার্টির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউস অফ কমন্সের দলনেতার পদও ছাড়ছেন বলে ঘোষণা করেছেন জাস্টিন ট্রুডো।
কানাডার পরবর্তী নির্বাচনে ভোটেই দাঁড়াচ্ছেন না তিনি। যা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাতে অনেকেই মনে করছেন, রাজনীতিকেই টা টা করে দিতে চাইছেন ট্রুডো। যদি সেটাই সত্যি হয়, তাহলে নিশ্চিত ভাবেই বিষয়টা অভাবনীয় হবে। কেননা এক দশক আগে এক তরুণ, কর্মতৎপর নেতা হিসেবে উত্থানের পর এত দ্রুত রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেবেন ট্রুডো, এটাকে ট্র্যাজেডি হিসেবেই দেখছে বিশ্ব রাজনৈতিক মহলের একাংশ।যদিও জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন তিনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার।
এরপর কী করবেন, সে বিষয়ে সত্যিই ভেবে ওঠার সময় পাননি। এতদিন সেই কাজটাই মন দিয়ে করেছেন, যেটা করার জন্য কানাডাবাসী তাঁকে নির্বাচিত করেছিলেন।উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জাস্টিন ট্রুডো।








