
ব্যবসায়ীকে মারধর ও হত্যার হুমকি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই স্বস্তি পেয়েছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণি। আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিনের আবেদন জানালে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,সিজেএম তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছেন।
এই তথ্য জানিয়েছেন পরীমণির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত। ফলে আপাতত এই মামলায় স্বস্তিতেই নায়িকা। এর আগে ২০২১ সালে,ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ অভিযোগ করেন, পরীমণি ও তাঁর সহযোগীরা সাভারের একটি অভিজাত ক্লাবে ঢুকে শৌচালয় ব্যবহার করেন।পরে ক্লাবের ভিতরে বসে মদ্যপান করেন।রাত ১টার পর ক্লাব ছেড়ে আসার সময় পরীমণি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে ডাকেন এবং একটি অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরীমণি তাঁকে গালাগাল করেন, পরে তাঁর দিকে একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন অভিনেত্রী, যা তাঁর মাথায় ও বুকে লাগে। এরপরেই অভিনেত্রী পরীমণি তাঁকে হত্যার চেষ্টা বলে অভিযোগ করেন মাহমুদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের এপ্রিলে মামলা দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী।এর আগে একাধিকবার ঢাকার সিজেএম আদালত পরীমণিকে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার কথা বললেও তিনি এড়িয়ে যান।শেষমেশ পরীমণি ও তাঁর কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বিচারক। তারপর বাংলাদেশি অভিনেত্রী পরীমণি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। এর আগে পরীমণি ফেসবুক পোস্টে দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে জানিয়েছিলেন, অন্যায় তিনি সহ্য করবেন না এবং প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।
তাঁর মনে হয়েছিল, নিজের দেশে পরাধীন হয়ে থাকতে হচ্ছে। এই পোস্টের পর নায়িকার অবস্থান নিয়ে গুঞ্জন-ফিসফাস শুরু হয়েছিল। তবে তখনও অভিনেত্রী পরীমণি বুঝতে পারেননি যে পরেরদিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে তাঁরই বিরুদ্ধে।







