
১৭-২০ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিএসএফ এবং বিজিবির ডি জি পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের কথা টোন আলাদা হবে। এমনই মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর প্রথম বারের জন্য দিল্লিতে শীর্ষস্তরের বৈঠকে বসছে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী। ওই বৈঠকে মুখোমুখি বসবেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী ,বিএসএফ-র প্রধান দলজিৎ সিংহ চৌধরি এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ,বিজিবি-র প্রধান মুহাম্মদ আশরাফ-উজ়-জ়ামান।বিএসএফ এবং বিজিবির বৈঠক নিয়ে প্রস্তুতি পর্যালোচনায় বসে মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশের সচিবালয়ে ওই বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করা হয়, এ বারের বৈঠকে নতুনত্ব কী থাকছে? জবাবে তিনি বলেছেন, নতুনত্ব কোনটা চাইছেন? এখন নতুনত্ব হল, আগে যে ভাবে কথা বলা হত, এ বারে কথার টোন আলাদা হবে।বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্য, সীমান্তে হত্যা বন্ধ করতে বিএসএফকে উদ্যোগী হতে হবে। এ ছাড়া সীমান্ত এলাকা দিয়ে ফেনসিডিল-সহ অন্য মাদক পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয় নিয়েও তাঁরা বিএসএফের সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করতে চান।উল্লেখ্য,সম্প্রতি ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফ কাঁটাতার বসাতে উদ্যোগী হলে বিজিবি তাতে বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এদিকে ভারত এবং বাংলাদেশের সীমান্তে একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখনও কাঁটাতারবিহীন রয়ে গিয়েছে।সীমান্তরক্ষী বাহিনীর উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার, দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এবং গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের অধীনে থাকা বেশ কিছু অঞ্চলে কাঁটাতার নেই। মালদহের কালিয়াচকে এবং তার পরে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে কাঁটাতার বসানোর সময় বিজিবির বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
এই বিতর্কের আবহে বাংলাদেশে ভারতীয় হাই কমিশনার প্রণয় বর্মাকে ডেকে পাঠায় মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার। পরের দিনই আবার দিল্লিতে বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার নুরুল ইসলামকে ডেকে পাঠায় বিদেশ মন্ত্রক।






