
মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে গিয়ে শেষে মায়ের নিথর দেহ নিয়ে ঘরে ফিরেছে ছেলে। এমনই মর্মান্তিক দৃশ্যের সাক্ষী রইল কলকাতার বিজয়গড়ের পোদ্দার পরিবার।
মহাকুম্ভে পদপিষ্টে ৩০ জনের মধ্যে ২৫ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তার মধ্যেই রয়েছে কলকাতার বাসিন্দা বছর ৬৫-র বাসন্তী পোদ্দার। কলকাতা পুরসভার ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডে, অশ্বিনী নগর এলাকায় তাঁর বাড়ি। ছেলে, মেয়ে ও নিজের বোনের সঙ্গে বাসন্তী পোদ্দার শাহী স্নান করতে গিয়েছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, হুড়োহুড়ির মধ্যে আচমকাই বাসন্তী দেবী কোনওভাবে পড়ে যান। তখনই এই ঘটনা ঘটে। মৃতার ছেলের অভিযোগ, এত ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য যে পরিমাণ পুলিশ দরকার তা ছিল না ঘটনাস্থলে। নিরাপত্তায় গাফিলতির জন্যই তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি তাঁর। এদিকে, মেদিনীপুরের এক প্রৌঢ়ারও মহাকুম্ভে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
খড়গপুর থেকে দুই মেয়ে-জামাই, বউমা এবং এক নাতনিকে নিয়ে তিনি পাড়ি দিয়েছিলেন প্রয়াগরাজে। তবে ত্রিবেণী সঙ্গমের সামনে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির বাসিন্দা বছর ৭৮-এর উর্মিলা ভুঁইয়া।








