
মহুয়া মৈত্রর উদ্যোগে প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের স্মরণ সভায় গেলেনই না পরিবারের লোকজন। ছিলেন না অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়ক।
তৃণমূল বিধায়কের স্মরণসভাকে কেন্দ্র করে আবারও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব সামনে এসেছে। পয়লা ফেব্রুয়ারি হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয় কালীগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের। কৃষ্ণনগরের সাংসদ তথা কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া মৈত্রর উদ্যোগে পলাশির ঘোষপাড়া মাঠে রবিবার প্রয়াত তৃণমূল বিধায়কের স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেই স্মরণসভায় উপস্থিত হলেনই না প্রয়াত তৃণমূল বিধায়কের পরিবারের লোকজন। এমনকি স্মরণসভায় দেখা যায়নি মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেযারম্যান রুকবানুর রহমান, নাকাশিপাড়ার বিধায়ক কল্লোল খাঁ, পলাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যরা। জানা গিয়েছে এর আগে মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের উদ্যোগে ৯ ফেব্রুয়ারি স্মরণসভা ডাকা হয়েছিল। সেই স্মরণসভায় মহুয়া মৈত্রকে দেখা যায়নি। ১৬ ফেব্রুয়ারি পাল্টা আরও একটি স্মরণসভার ডাক দেন মহুয়া মৈত্র। এই প্রসঙ্গে মহুয়া মৈত্রর দাবি বিষয়টি নিয়ে ইচ্ছাকৃত বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।
পালামেন্ট থাকায় আগের স্মরণসভায় আসতে পারেননি। অন্যদিকে বিধায়ক তাপস সরকারের দাবি আগের স্মরণ সভায় তাঁকে আমন্ত্রণই জানানো হয়নি।









