বাড়ছিল ঋণ, দেওয়া অসম্ভব বুঝেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত!

0
157
ছবি সৌজন্যে : নিজস্ব

মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকা ঋণের জন্য দিতে হত। আর সেই টাকা দেওয়া সম্ভব নয় বুঝেই পরিবারের ৬ জনের আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত।

এমনটাই পুলিশকে জানিয়েছেন ট্যাংরার শীল লেনের দে পরিবারের বড় ছেলে প্রণয় দে।দে পরিবারে ঋণের বোঝা ছিল তা কার্যত জানা গিয়েছে মনোজ গুপ্ত নামে এক পাওনা দারের কথায়। কয়েক লাখ টাকা পাওয়া ছিল দে ভাইদের কাছে। একাধিকবার টাকা চেয়ে তাগাদাও দিয়েছিলেন। ট্যাংরার সেই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে এমনটাই দাবি করেছেন ব্যবসায়ী মনোজ গুপ্ত। তিনি প্রণয় দে এবং প্রসূন দে-র সঙ্গে ব্যবসা করতেন। তাঁদের চামড়ার ব্যবসা ছিল। মনোজ গুপ্ত জানিয়েছেন তিনি মঙ্গলবার বিকেলেই টাকা চাইতে গিয়েছিলেন ওই বাড়িতে। কিন্তু কাউকে পাননি। সকালে ফোন বন্ধ ছিল। দরজার বাইরে থেকে অনেক ডাকাডাকি করেও সাড়া মেলেনি। এরপর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দরজায় দু’লাইন লিখে দিয়ে গিয়েছিলেন মনোজ। দে পরিবারের লেদারের ব্যবসা রয়েছে। তাঁদের চামড়ার জোগান দিতেন মনোজ। ২০২০ থেকে দে পরিবারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সূত্রে যোগাযোগ মনোজের। ২০২৩ পর্যন্ত চামড়ার জোগান দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপর বাড়ি পড়ে যাওয়ায় লেনদেন হয়নি। যদিও ২০২৪-র জুন মাসে ৭০ শতাংশ টাকা মিটিয়েছিলেন দুই ভাই। কিন্তু শেষ কিস্তির টাকা বাকি ছিল।

মনোজ আরও জানিয়েছেন দুই ভাইয়ের থেকে পাওয়া চেক বাউন্স হয়ে যাওয়ার পরেই তিনি দে পরিবারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলেন। দুই ভাইকে ফোনে না পেয়ে তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন।