
তাঁকে ডাকেই এসএসকেএম-এ শয্যাশায়ী প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় চোখ মেলে চেয়েছিলেন।
আবেগঘন কণ্ঠে ধনধান্য স্টেডিয়ামে সেই স্মৃতি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায় এটাই হয়তো সাইকোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর ডাকে প্রয়াত শিল্পীর চোখ জলে ভরে যায়। আমি বাংলায় গান গাই-এই গানের আবদার করতেই তিনি দুটো হাত তুলে ধরেছেন, সেটা আশীর্বাদ কিনা, জানা নেই মুখ্যমন্ত্রীর। তবে ইশারায় বলেছিলেন পারবেন না আর গান গাইতে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বই থেকে জেনেছি। আমি রিসার্চ করিনি। আত্মা মারা গেলেও তার মধ্যে একটা বোধ থাকে। তার প্রাণটা কিন্তু থাকে অনেকক্ষণ। এরপর শিল্পীর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল টিমের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন সভামঞ্চে বারবার দেখা গিয়েছিল প্রবাদপ্রতিম সঙ্গীত শিল্পীকে। সেই মঞ্চ থেকেই আমি বাংলায় গান গাই-গাইতে দেখা যেত প্রয়াত শিল্পীকে। তবে দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতা ইদানিং লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গিয়েছিলেন তিনি। শেষের কয়েকটা দিন কেটেছিল পিজি-র বেডে। অবশেষে সেখান থেকেই চলতি মাসের ১৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পরলোকে গমন করেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন ল্যান্সডাউন প্লেসের নাম প্রতুল মুখোপাধ্যায় সরণি করা হবে। ইতিমধ্যে তাঁর নামাঙ্কিত বোর্ডও সেখানে বসানো হয়েছে।
