
ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল ১৩ বছরের কন্যা। প্রায় সাত মাস গর্ভধারণের পর তাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে ওড়িশা হাই কোর্ট। আদালত জানিয়েছে, ওই নাবালিকার নানা জটিল শারীরিক রোগ রয়েছে। এই অবস্থায় প্রসবও বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে গর্ভপাতে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তাকে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশার কন্ধমাল জেলায় গত বছর তফসিলি উপজাতিভুক্ত ওই নাবালিকাকে একাধিক বার ধর্ষণ করেছিলেন স্থানীয় এক যুবক।
ভয়ে নাবালিকা সে কথা কাউকে জানায়নি। কিন্তু ধর্ষণের ফলে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। মেয়ের স্বাস্থ্যের অবনতি হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান পরিজনেরা। তখনই জানা যায়, কিশোরী ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে অন্তঃসত্ত্বা, যা গর্ভপাত আইনে নির্ধারিত ২৪ সপ্তাহের সীমা অতিক্রম করেছে। যদিও কোর্ট গর্ভপাতের রায় দিয়েছে।






