
যাদবপুর ক্যাম্পাসে শিক্ষাবন্ধু সেলের অফিসে অগ্নিসংযোগের অভিযোগে যাদবপুরের প্রাক্তনী সাহিল আলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার তারই খোঁজে যাদবপুর থানায় গিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্ররা।
এসএফআইয়ের সদস্যদের অভিযোগ গ্রেফতারের পর থেকে সাহিলের পরিবার এমনকি আইনজীবীর সঙ্গেও দেখা করতে দিচ্ছে না পুলিশ। এরইমধ্য মঙ্গলবার রাতভর অরবিন্দ ভবনে ধর্নাকর্মসূচি চালিয়েছে আন্দোলনকারী ছাত্রছাত্রীরা। বুধবার যাদবপুরকাণ্ডের জন্য উপাচার্যকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বসার ডেডলাইন বেধে দিয়েছিল ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু সেই ডেডলাইন পেরেতেই আন্দোলন যে থামছে না তার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা। বুধবার যাদবপুর ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে বামপন্থী ছাত্ররা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং ছাত্রের ওপর গাড়ি চালানোর প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন অধ্যাপকরাও। যাদবপুর ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল এইটবি বাসস্ট্যান্ড হয়ে আবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যায়। মিছিলে সামিল হয়েছিলেন ইন্দ্রানুজের বাবাও। এদিকে যাদবপুরের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে আরও উত্তাপ বাড়িয়েছেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র, সৌগত রায়দের মন্তব্য। একধাপ এগিয়ে কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দখলের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
বলেছেন এনাফ ইজ এনাফ, খুব তাড়াতাড়ি সংযম ভেঙে যাবে বলে হুঙ্কার দিয়েচেন মদন মিত্র। সুর চড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় আবার যাদবপুর অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ক্যাম্পাসে তৃণমূল কর্মীরা ঢুকলে ওরা পালিয়ে যাবে।






