
পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের পর আমেরিকার সঙ্গে যে কোনও ফ্রন্টে যুদ্ধ করতে তৈরি,বলার পরদিনই প্রতিরক্ষা বাজেট ৭.২ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে চীন।মোট ২৪৫ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট ঘোষণা করেছে শি জিনপিংয়ের কমিউনিস্ট সরকার। যা আমেরিকার পর,৯০০ বিলিয়ন ডলার,দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে পিপলস লিবারেশন আর্মি বা লালফৌজকে পৃথিবী সেরা করার কথাও জানিয়ে দিয়েছে বেজিং কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, ভারতের প্রতিরক্ষা বাজেট ৭৯ বিলিয়ন ডলার।এই হিসেবে ভারতের তিনগুণ বেশি প্রতিরক্ষা বাজেট চীনের। তবে বিশ্লেষকদের মতে, চীনের প্রকৃত সামরিক ব্যয় ঘোষিত বাজেটের চেয়েও ৪০-৫০ শতাংশ বেশি হতে পারে।উল্লেখ্য,চীনের প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধির ঘোষণার একদিন আগেই দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, তারা যেকোনো ফ্রন্টে আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত। চীনের এই অবস্থানের জবাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেঠ বলেছেন, তাঁরাও তৈরি। আমেরিকা শান্তি বজায় রাখতে চায়, তবে প্রয়োজনে যুদ্ধে অংশ নিতেও পিছপা হবে না।
তিনি আরও বলেছেন,চীন অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে এবং উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করছে। তারা আমেরিকার সামরিক ক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যেতে চায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তির পক্ষে, তবে সেই শান্তি শক্তির মাধ্যমেই বজায় রাখা সম্ভব।এদিকে বলা হচ্ছে,ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা ও সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে চীনের এই বিপুল সামরিক বাজেট ভারতের জন্যও কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।বিশেষ করে,চীনের সামরিক সম্প্রসারণ দক্ষিণ চীন সাগর ও ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
