
বাংলাদেশের যতদ্রুত সম্ভব সাধারণ নির্বাচন চায় সে দেশের সেনা। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ জামান রবিবার সেনাকর্তাদের বৈঠকে ডাকেন।
সামনাসামনি এবং ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা হয়। ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মহম্মদ নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খানও। বৈঠকে সেনাকর্তারা সেনার ভাবমূর্তি রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণের পক্ষে সওয়াল করেছেন। ছাত্রনেতাদের মস্তানি’-র বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রিফাইন্ড আওয়ামি লিগ গঠনে সেনাবাহিনীর চাপ দিচ্ছে, হাসনাত আবদুল্লার এই ফেসবুক পোস্টে আগুনে ঘি পড়েছে। যদিও দ্বিমত পোষণ করেছে আরেক ছাত্রনেতা সারজিস আলম। এরপরেও জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠকের রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি নিয়ে বিরক্ত সেনা রবিবার দুপুরে দীর্ঘ বৈঠক করেছে। সূত্রের খবর, দেশে দ্রুত নির্বাচন করিয়ে একটি স্থায়ী সরকার প্রতিষ্ঠায় একমত হয়েছেন সেনাকর্তারা।
গত বছরের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন। নেত্রীর মতোই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন দলের অনেক নেতা।



