
প্রেশার, সুগার, অ্যান্টাসিট থেকে শুরু করে অ্যান্টিবায়োটিক- আসলের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ৩০ শতাংশ জাল ওষুধ।
কলকাতার চারটি ওষুধের কারখানায় হানা দিয়ে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অন্তত ২০ লক্ষ টাকার সন্দেহজনক ওষুধ। এখনও বাজারে ছড়িয়ে কত টাকার জাল ওষুধ, তা নিয়েই উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকের হানায় যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। আসল ওষুধের বাক্সের মধ্যেই মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে নকল ওষুধ। বিভিন্ন নামী কোম্পানির ওষুধ জাল হচ্ছে বলে খবর। মঙ্গলবার মেহতা বিল্ডিং, গিরিয়া ট্রেড সেন্টার, গাঁধী মার্কেট, বাগরি মার্কেটে দিনভর চলে তল্লাশি।
ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকরাই বলছেন, অথোরাইজড স্টকিস্ট কিংবা অথোরাইজড ডিলারের কাছ থেকেই ওষুধ কিনতে হবে।
