
সাধারণতঃ বলা হয় কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে, কিডনির সমস্যা এড়াতে চাইলে শুধু খাওয়া-দাওয়ার অভ্যাসে নজর দিলেই চলবে না। নিয়মিত কয়েকটি কাজ করতে হবে। তবেই কিডনি ভালোভাবে কাজ করবে। তার ফলে শরীরে জমে থাকা যাবতীয় টক্সিন দূর হবে।
শরীর ডিটক্সিফায়েড হলে ভেতর থেকেই আপনার শরীর-স্বাস্থ্য পরিশ্রুত থাকবে। এখন প্রশ্ন হল কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন সকালে উঠে কোন কোন কাজ করা জরুরি। উত্তর হল,কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে দৈনন্দিন জীবনে কিছু নিয়ম মেনে চলা প্রয়োজন। কিডনি যাতে বিকল না হয়, সঠিকভাবে কাজ করে, তার জন্য প্রতিদিন সকালে কয়েকটা কাজ করা প্রয়োজন।কিডনির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চাইলে প্রতিদিন সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম জল খেতে পারেন। শরীরে জমা ক্ষতিকর টক্সিন সহজে দূর করে এই পানীয়। হালকা গরম জলই খেতে হবে। জল বেশি গরম করে খাবেন না। সকালের প্রথম চা হিসেবে ভরসা রাখুন ভেষজ চায়ের ওপর। খালি পেটে ভেষজ চা খেলে কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তাই বলে সারা দিনে প্রচুর ভেষজ চা খাবেন না। তাতে শরীরে সমস্যা বাড়বে। তারপর সকালে উঠে প্রথমে দুধ চা কিংবা কফি না খাওয়াই ভালো।খালি পেটে খেলে কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। সারা দিনেও চা-কফি কম খেলেই ভালো। পাশাপাশি নিয়মিত শরীর চর্চা করা জরুরি। তাহলেই ভালো থাকবে কিডনির স্বাস্থ্য। যেভাবেই হোক শরীর চর্চা নিয়মিতভাবে করা জরুরি। জিম, যোগাসন, হাঁটাচলা, দৌড়ানো, জগিং, ফ্রি-হ্যান্ড একসারসাইজ,যাই করুন না কেন, প্রতিদিন শরীরচর্চা করতেই হবে। সেইসঙ্গে কাঁচা লবণ খাওয়ার প্রবণতা কমাতে হবে। কাঁচা লবণ যত কম খাবেন আপনার শরীর-স্বাস্থ্য ততই ভালো থাকবে। কিডনির স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। লবণ বেশি খেলে শরীরে ফ্লুইড জমে যায়। শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে যেতে পারে। এদিকে কিডনির স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চাইলে নিয়মিত ব্লাড সুগার পরিমাপ করে দেখতে হবে তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কি না। সুগার বাড়লে সরাসরি প্রভাব পড়ে কিডনিতে। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা সতর্ক থাকুন।
অন্যদিকে ব্রেকফাস্টে তাজা ফল খেতে পারলে ভালো। শরীর থেকে দূর হবে দূষিত পদার্থ। তার ফলে ভালো থাকবে কিডনি। তবে খুব মিষ্টি ফল সকাল সকাল না খাওয়াই স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। একধাক্কায় ব্লাড সুগারের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যেতে পারে।
