
এই গরমে সুস্থ থাকার জন্য হাইড্রেটেড থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কিছু খাবার আছে, যেগুলো মানুষকে গোপনে ডিহাইড্রেট করতে পারে। যদিও আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ডিহাইড্রেশনকে পর্যাপ্ত জল না খাওয়ার ফল হিসেবে মনে করা হয়। তবে কিছু খাবার মূত্রবর্ধক বৈশিষ্ট্য বা অতিরিক্ত লবণের কারণে ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। সেই খাবারগুলো সম্পর্কে জানা থাকলে জলশূন্যতা প্রতিরোধ করা সহজ হবে। যেমন,কফি, চা ও কিছু কোমল পানীয়তে ক্যাফেইন থাকে, যা হালকা মূত্রবর্ধক।
যদিও সকালে এককাপ কফি বা চা উপভোগ করা ভালো, তবে অত্যধিক পান করার ফলে প্রস্রাব বাড়তে পারে।পর্যাপ্ত জল পানের সঙ্গে ভারসাম্য না থাকলে ডিহাইড্রেশন হতে পারে।অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় এর মূত্রবর্ধক প্রভাবের কারণে ডিহাইড্রেট করতে পারে। এগুলো প্রস্রাব উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যার ফলে শরীরের তরল কমে যায় হয়। তাই অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকাই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।আবার চিপস, প্রিটজেল ও ক্র্যাকারের মতো প্রক্রিয়াজাত খাবারে সোডিয়াম বেশি থাকে।অত্যধিক লবণ গ্রহণ করলে তা আপনাকে তৃষ্ণার্ত করে তুলতে পারে এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে জলের ক্ষয় বৃদ্ধি করতে পারে। নোনতা নাস্তা খাওয়ার বিষয়ে সচেতন হোন এবং জল-সমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রাখুন। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন লাল মাংস, হাঁস-মুরগি ও দুগ্ধজাত পণ্য ইত্যাদি ডিহাইড্রেশনে অবদান রাখতে পারে। প্রোটিন গ্রহণ করলে শরীর অতিরিক্ত ইউরিয়া তৈরি করে।এটি একটি বর্জ্য পদার্থ, যা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে হয়, এর ফলে জলের ক্ষয় বৃদ্ধি পায়।ওদিকে কেক, কুকিজ ও ক্যান্ডির মতো চিনিযুক্ত খাবারও আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে।আপনি যখন প্রচুর পরিমাণে চিনি গ্রহণ করেন, তখন আপনার শরীর এটিকে পাতলা করতে জল ব্যবহার করে, যা ডিহাইড্রেশনের দিকে নিয়ে যা। তাই হাইড্রেটেড থাকার জন্য তাজা ফল বেছে নিন।উল্টোদিকে,মসলাদার খাবার বিপাককে উদ্দীপিত করতে পারে এবং শরীরের তাপমাত্রা বাড়াতে পারে, যার ফলে ঘাম হতে পারে, যা আপনাকে ডিহাইড্রেট করে।
মসলাদার খাবার উপভোগ করার সময় হাইড্রেটেড থাকার জন্য প্রচুর জল পান করতে ভুলবেন না।ভাজা খাবারে লবণ ও চর্বি বেশি থাকে, যা আপনাকে ডিহাইড্রেট করতে পারে।উচ্চ চর্বিযুক্ত উপাদান হজমকেও ধীর করে দিতে পারে। ভাজা খাবার খাওয়া সীমিত করুন এবং শাক-সবজির মতো জল-সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান।এ ছাড়া গরমে নিজেকে হাইড্রেট রাখতে পর্যাপ্ত জল খেতে ভুলবেন না। দুপুর বা প্রচণ্ড রোদে বাইরে বের হওয়া থেকে দূরে থাকবেন। তবেই নিজেকে সুস্থ রাখতে পারবেন।








