
এক থেকে তৃতীয় কাউন্সিলিং পর্যন্ত সকলে বৈধ, চতুর্থ কাউন্সিলিং থেকে সকলেই অযোগ্য চাকরিহারা প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এই কথা জানিয়েছে এসএসসি, বৈঠক থেকে বেরিয়ে এই দাবি করে একরাশ ক্ষোভউগড়ে দিয়েছেন চাকরিহারা প্রতিনিধিরা।
এসএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভকারীরা ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীকে জনসমক্ষে সেই ক্ষতিপূরণ তলে দিতে হবে বলে দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, এসএসসি কোনও তালিকা প্রকাশ করছে না। এই দাবির পরই কাষত বিক্ষোভে ফেটে পড়েন বিক্ষোভকারীরা। হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা জানিয়েছেন, চেয়ারম্যানকে তালিকা। দিয়ে বেরোতে হবে। নাহলে সারারাত আচার্য সদনেই আটকে রাখা হবে তাঁকে। চাকরিহারাদের বিক্ষোভ সামাল দিতে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে আচার্য সদন চত্ত্বরে। বাঁশের ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তাতেই প্রতিবাদ ধর্নায় বসে পড়েছেন তাঁরা। সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ এসএসসি ভবন থেকে কয়েকজন কর্মী বেরোতে গেলে তাদের আটকে দেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত একজন কর্মীকেও বাড়ি যেতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চাকরিহারারা। পাশাপাশি স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকায় বিভাজনের কৌশল দেখছেন চাকরিহারারা।
সুপ্রিম নির্দেশে প্যানেল বাতিলের পর চাকরি চলে গেছে। অথৈ জলে হাজার হাজার পরিবার আন্দোলনকারী চাকরিহারারা কটাক্ষ করে বলেছেন, পরিবারকে খাওয়াতে হবে। চপ ভাজবেন সেই পয়সাও নেই বলে দাবি করেছেন চাকরিহারারা।








