গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

35 C
Kolkata
35 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle গরমে শিশুদের সুস্থ রাখতে

    গরমে শিশুদের সুস্থ রাখতে

    0
    172
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    এবার যা অবস্থা তাতে লোক বলছে,গ্রীষ্ম আসার আগে থেকেই গরম শুরু হয়ে গেছে।দিন দিন সেই মাত্রা আরো বেড়েছে। বাইরে বেরোলেই কড়া রোদ।এই রোদের মধ্যেই স্কুলে যেতে হচ্ছে ছোটদের। এই সময়ে শিশুদের নানা রোগব্যাধি দেখা দেয়।সন্তানদের সুস্থ রাখতে মা-বাবারা কত চেষ্টাই না করেন।

    তবে সন্তানকে সুস্থ রাখতে কিছু টিপস অনুসরণ করা উচিত।এই অবস্থায় চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, শিশু বাইরে যাক বা না যাক, গরমের কারণে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি যে কেবল বড়দের থাকে তা নয়,ছোটদেরও অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল।তাই সন্তানকে যত্নে রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে অভিভাবকদের।শিশুরোগ চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, গরমের সময়ে জলশূন্যতা ভোগায় অনেক শিশুকেই।কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ছোটরা ঠিকমতো জল খায় না। স্কুলের সময়টাতে জল খাচ্ছে কি না, তা দেখার কেউ থাকে না। ফলে শরীরে জলের ঘাটতির পাশাপাশি খনিজ উপাদানগুলো, যেমন সোডিয়াম,পটাশিয়াম,ক্লোরাইডের ঘাটতি হতে থাকে। এর থেকে বমি, পেটের গণ্ডগোল হতে পারে, জ্বরও আসতে পারে। তাই পর্যাপ্ত জল খাওয়াতে হবে শিশুকে।দ্বিতীয়ত, টিফিনে ফলের রস করে দিতে পারেন শিশুকে। গরমের সময়ে লেবুর রস, তরমুজের শরবত বা আনারসের শরবত করে দিলে ভালো হয়। জলের পরিমাণ বেশি, এমন ফল খাওয়াতে পারেন।ওআরএস সঙ্গে রাখতেই হবে। শিশুর শরীরে অস্বস্তি হলে বা রোদ থেকে ফিরেই বমি হলে, ওআরএস জলেতে গুলিয়ে খাইয়ে দেবেন। অন্যদিকে,হিটস্ট্রোক হলে নানা উপসর্গ দেখা দেবে। ঘাম হবে না, ত্বক শুকিয়ে যাবে, মাথা ঘুরবে, ঘন ঘন বমি করতে থাকবে শিশু। শ্বাসপ্রশ্বাসের হার অনেক বেড়ে যাবে,সেই সঙ্গে ডায়েরিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অনেক সময়ে হিটস্ট্রোকের কারণে খিঁচুনিও হয় শিশুদের, এমন লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। পাশাপাশি,গরমের সময়ে নানা রকম জীবাণুর সংক্রমণও হয় ছোটদের।তা থেকে জ্বর, সর্দি-কাশি,অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।এই বিষয়ে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জ্বর হলে হালকা প্যারাসিটামল খাওয়ানো যেতে পারে,তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। কোনো রকম অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াবেন না। তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।এই সময়ে ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর প্রকোপও বাড়ে।কাজেই পরিচ্ছন্নতায় নজর দিতে হবে, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

    এই অবস্থায়,দুপুরের দিকে সন্তানকে নিয়ে কোথাও না বের হওয়াই ভালো। তবে একান্তই যদি বের হতে হয়,সে ক্ষেত্রে সব রকম সুরক্ষা নিন। শিশুর মাথায় পাতলা সুতির স্কার্ফ জড়িয়ে দিন।কিংবা টুপিও পরাতে পারেন। সানস্ক্রিন মাখাতেও ভুলবেন না। স্কুল থেকে ফেরার পরেই শিশুকে স্নান করিয়ে দিতে হবে।