
কাশ্মীরে ঘুরতে গিয়ে কফিন বন্দি হয়ে ফিরলেন ঝালদার মণীশরঞ্জন মিশ্র। আইবি অফিসার মণীশরঞ্জন মিশ্র স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে কাশ্মীরে ঘুরতে গিয়েছিলেন।
২বছর ধরে হায়দরাবাদে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তাঁর যে এই পরিণতি হবে তা কল্পনাই করতে পারেন নি পরিবার থেকে প্রতিবেশীরা। পহেলগাঁওয়ে সেদিনের হতভাগ্যদের মধ্যে মণীশও ছিলেন। মণীশরঞ্জনের কফিনবন্দি দেহ বৃহস্পতিবার সকালে ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বিমানবন্দরে নামে। এরপর সেখান থেকে তাঁকে পুরুলিয়ার ঝালদার বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। মণীশের হত্যা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না এলাকাবাসী। তাঁর অকালপ্রয়াণে পুরুলিয়ার ঝালদায় ১২ ঘণ্টা বনধ চলছে। ঝালদার নাগরিক মঞ্চ এবং ঝালদা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা বনধে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সামিল হয়েছেন মানুষজন। সকাল থেকেই বন্ধ রয়েছে দোকানপাট। বৃহস্পতিবার মণীশরঞ্জন মিশ্র-র দেহ ফিরতেই বাধে ভাঙে এলাকায়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন মানুষজন। পাকিস্তান মুর্দাবাদ স্লোগান ওঠে। এই হত্যালীলার বদলা যাতে ভারত যথাযথভাবে দেয় সেই আশায় রয়েছেন মানুষজন। নিহত মণীশরঞ্জনকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত।
এদিকে বুধবার রাতেই কলকাতায় কফিনবন্দি দেহ ফেরে বেহালার সখেরবাজারের বাসিন্দা সমীর গুহ এবং বৈষ্ণবঘাটার বাসিন্দা বিতান অধিকারীর।







