
পহেলগাওয়ের বৈসরনে নিরাপত্তার বিষয়টি খতিয়ে দেখার আগেই গত ২০ এপ্রিল থেকে সেখানে পর্যটকদের নিয়ে যেতে শুরু করে দিয়েছিলেন গাইডেরা। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানত না।
সেই কারণেই বৈসরনে সেনা মোতায়েন করা যায়নি বলে সর্বদল বৈঠকে জানিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের ডাকা সবদল বৈঠকে কাশ্মীরের নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেই অভিযোগের জবাবে জানিয়েছে কেন্দ্র। উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠকে গোয়েন্দা- ব্যথর্তার কথা স্বীকার করেছে কেন্দ্র, সুত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।
পহেলগাও হত্যাকান্ডের পর সংসদ ভবনে সর্বদল বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রায় দু ঘন্টা ধরে চলা বৈঠক শেষে উদ্ভত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ণ সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। এছাড়াও অন্যান্য বিরোধী দলগুলি কাশ্মীর ইস্যুতে কেন্দ্রের যে কোনও পদক্ষেপকেই সমর্থনের কথা জানিয়েছে।







