
শতাব্দী রায় দীর্ঘ বিরতির পর বড়পর্দায় ফিরতে চলেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ-অভিনেত্রীর প্রত্যাবর্তনের খবর অবশ্য আগেই জানা গিয়েছিল। পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের ছবি বাৎসরিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।শতাব্দীর এই কামব্যাকে তাঁর সঙ্গী ঋতাভরী চক্রবর্তী।
পয়লা বৈশাখের সকালে ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এনে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এবার পয়লা ঝলক দেখিয়ে ভয় ধরালেন।আসলে মৈনাক ভৌমিক পরিচালিত এই ছবি যে ভূতুড়ে ঘরানার, সেকথা জানাই ছিল। টিজারে দেখা গিয়েছে আসল খেলা। গল্পে শতাব্দী রায় এবং ঋতাভরী চক্রবর্তীর ননদ-বউদির সম্পর্ক। ভাইয়ের মৃত্যুর পর থেকেই বাড়িতে অতিপ্রাকৃত সব ঘটনা ঘটতে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে ভ্রাতৃবধূ ঋতাভরীকে আগলে রাখেন শতাব্দী।সেই বাড়িটিকে অপয়া তকমা দিয়ে ছেড়ে দিতে চান তিনি। কিন্তু শত চেষ্টা করেও কি আর বিপদ আটকানো যাবে? বাৎসরিক-এর পয়লা ঝলক সেই কৌতূহলকেই উসকে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, মৈনাকের বাৎসরিক অতিপ্রাকৃৎ ঘরানার ছবি। বলা যায়,পর্দায় হাড়হিম করা ভূতের গল্প আনতে চলেছেন পরিচালক। ছবির গল্প অনুসারে, ঋতাভরী চক্রবর্তী অভিনীত চরিত্রটি স্বামীকে হারিয়েছে, আর শতাব্দী অভিনীত চরিত্রটি তাঁর ভাইকে।স্বামীর মৃত্যুর পর একা হয়ে যাওয়া স্ত্রী এবং তার ননদ ভাবছে,তাদের বাড়িটি তারা রাখবে না বিক্রি করে দেবে? কারণ, এক জনের মৃত্যু বাড়িটিতে যেন কালো ছায়া ফেলে দিয়েছে।এমন অবস্থায় ননদ ও ভাইয়ের বউয়ের সম্পর্কের সমীকরণ গল্পের মূল বিষয় হয়ে উঠবে।
পরিচালক মৈনাক ভৌমিক বরাবর পর্দায় সম্পর্কের গল্প বুনেছেন। এবার অতিপ্রাকৃত বিষয় নিয়ে কাজ করেছেন। অন্যদিকে শতাব্দীও সেভাবে হরর ঘরানার ছবিতে কাজ করেননি। মৈনাকের পরিচালনায় শতাব্দী ও ঋতাভরীর বাৎসরিক,মুক্তি পাবে ৬ জুন।








