
যদি আমাদের দেহের কোনো একটি অংশ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করি, তা সম্ভবত পা। একবার ভাবুন তো, সে অর্থে পা আমাদের শরীরের ভিত্তি।
এই অবস্থায় পায়ের যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে আপনি অস্বস্তি এড়াতে পারেন, গতিশীলতা বজায় রাখতে পারেন এবং সক্রিয় জীবনধারা উপভোগ করতে পারেন। কিন্তু সাধারণতঃ পায়ের যত্নে আমরা বেশ উদাসীন। অন্যদিকে ত্বকের যত্নে আমরা অনেক বেশি সচেতন। যেমন,নানা রকম সিরাম, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন কত শত আয়োজনে আমরা ত্বককে সাজাই। কিন্তু পা’-এর ক্ষেত্রে,নো কেয়ার,অর্থাৎ সামগ্রিক অবহেলা। ফলে অযত্নে হাত-পা ও মুখের ত্বকের পার্থক্য হয়ে ওঠে আকাশ পাতাল। অথচ ঘরে বসেই পায়ের যত্ন নেওয়া সম্ভব। যেমন প্রথমেই,সপ্তাহে অন্তত এক দিন হালকা গরম জলেতে কিছুক্ষণ পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। এতে নখের কোণে জমে থাকা ময়লা সব ধুয়ে যাবে। জলেতে মিশিয়ে নিন লেবুর রস ও বেকিং সোডা। এতে শুধু পায়ের ত্বক পরিষ্কারই হবে না, সেই সঙ্গে ট্যানও উঠে যাবে।এরপর,পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন পায়ের ত্বকে। পায়ের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে গেলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পায়ে পর্যাপ্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।অন্যদিকে, স্ক্রাবিং শুধু মুখে নয়, পায়ের ত্বকেও জরুরি। এতে ত্বকের দাগছোপ, ট্যান কমে যায়। বাড়িতেই স্ক্রাব করে নিতে পারেন খুব সহজে। কফি ও মধু বেশ কার্যকরী স্ক্রাব।সেইসঙ্গে,ইনগ্রাউন নেইল এড়াতে পায়ের নখগুলো সোজা করে ছেঁটে নিন। আগা মসৃণ করতে ফাইল ব্যবহার করুন। মাঝারি দৈর্ঘ্যে নখ রাখলে ভাঙার ঝুঁকি কমে যায়।
পাশাপাশি পা ঢাকা জুতো পরার অভ্যাস করা ভালো। এতে পা সুরক্ষিত থাকে। ধুলোবালি থেকেও দূরে থাকে পা।








