
ভয়াবহ সংঘাতের মধ্যেও একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি দেখা গেছে ইউক্রেন-রাশিয়া আলোচনায়। রাশিয়া জানিয়েছে, ইউক্রেনের সঙ্গে তিন বছরের বেশি সময় পর হওয়া প্রথম সরাসরি আলোচনা সফল হয়েছে।উভয় পক্ষ শিগগিরই এক হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময় করতে সম্মত হয়েছে।পাশাপাশি, দু’ পক্ষই ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত তাদের দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপনের পর আলোচনা পুনরায় শুরু করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে ইস্তাম্বুলে ওসমানীয় যুগের এক প্রাসাদে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছিলেন ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রতিনিধিদল। ২০২২ সালের মার্চের পর এটাই এমন প্রথম বৈঠক। আলোচনা শুরু হলেও দুই পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য ছিল সুস্পষ্ট।তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত এই আলোচনার পর রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দেওয়া হয়েছে।এতে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের প্রধান ভ্লাদিমির মেদিনস্কি বলেছেন, সামগ্রিকভাবে আলোচনার ফলাফল নিয়ে সন্তুষ্ট এবং কিয়েভের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে তৈরি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই উভয় পক্ষ এক হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময় করবে।এই বিনিময় হতে যাচ্ছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ২০২২ সালে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করার পর সবচেয়ে বড় ধরনের বন্দি বিনিময়ের একটি।
মেদিনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনীয় পক্ষ দুই দেশের নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার অনুরোধ জানিয়েছে।এদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি দুই পক্ষকে শান্তিচুক্তির পথে এগোতে চাপ দিয়ে আসছেন, বলেছেন তিনি ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি চান যাতে করে ইউরোপের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতটি শেষের পথে যেতে পারে।








