
কতজনকে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া থেকে বাচিয়েছেন তাঁর হিসেব নেই। চুঁচুড়ার বাসিন্দা সেই সুরেন্দর সাহানিরই কিনা গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে শনিবার। খবর পেয়ে গঙ্গার ঘাটে পৌঁছন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার, তপন দাশগুপ্ত।
দেহ উদ্ধারে নামে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। জানা গিয়েছে চুঁচুড়ার বড়বাজারের বাসিন্দা বছর ৫০-র সুরেন্দর সাহানি প্রতিদিন সকালে মাঠে দৌঁড়তেন। এরপর পুরনো লঞ্চঘাটে গঙ্গায় সাঁতার কাটতেন। সেই রুটিনের শনিবারও কোনও পরিবর্তন ছিল না। সকালে দৌঁড়নোর পর গঙ্গায় স্নানে নামতেই তলিয়ে যান সুরেন্দর সাহানি। খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন বিধায়ক অসিত মজুমদার, তপন দাশগুপ্ত। তারা জানিয়েছেন সুরেন্দর সাহানি অনেক মানুষকে গঙ্গায় ডুবে যাওয়া থেকে বাঁচিয়েছেন। আর তারই কিনা জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। সুরেন্দর সাহানির ভাই বারেন্দর সাহানি জানিয়েছেন তাঁর দাদা খুব ভালো সাঁতার জানতেন। প্রতিদিন গঙ্গায় স্নান করতেন। কীভাবে এমনটা হয়েছে তা বুঝতে পারছেন না তিনি। অন্যদিকে চুঁচুড়ার ২১ নম্বর।
ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিতা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন নভেম্বরে সুরেন্দর সাহানির মেয়ের বিয়ে। শুক্রবার লজও বুক করেছিলেন। সুরেন্দর মৃত্যুর খবর পৌঁছতেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
