
নিজের ভরা যৌবন ফিরে পেতে আটঘাট বেঁধে মাঠে নেমেছেন ৪৭ বছর বয়সী আমেরিকান তরুণ ব্রায়ান জনসন। শরীরে প্লাজমা গ্রহণসহ নিয়েছেন নানা চিকিৎসাও। তবে তাতেও আশানুরূপ ফল না পেয়ে এবার অবলম্বন করলেন ভিন্ন এক পন্থা। একাধারে ৫৪০০ মিনিট বা ৯০ ঘণ্টা কাটালেন বদ্ধ এক ট্যাংকে। জনসন পেশায় এক জন ব্যবসায়ী। আবার একাধারে তিনি বইও লেখেন।
সেই সঙ্গে চালিয়ে যান নিজের যৌবন ধরে রাখার চেষ্টা। তার এই কর্মকাণ্ডের কথা মানুষ জানতে পারেন ২০২০ সালে নেটফ্লিক্সের একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ হওয়ার পরে।সেই তথ্যচিত্রের নাম ছিল ,ডোন্ট ডাই ,এ ম্যান হু ওয়ান্টস টু লিভ ফরেভার, যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায়, মৃত্যু নয়, যে মানুষটি চিরকাল বাঁচতে চান।নিজের যৌবন ফিরে পেতে জনসনের অন্যতম একটি চেষ্টা ছিল,অপারেশন ব্লুপ্রিন্ট। ওই পদ্ধতিতে ৬ মাস অন্তর শরীরে ১ লিটার করে প্লাজমা নিতে হতো তাকে। অন্য অনেক প্লাজমাদাতাদের পাশাপাশি নিজের ছেলের থেকেও প্লাজমা নিয়েছিলেন জনসন।যদিও শেষ পর্যন্ত সেই পন্থা কাজ না করায় হতাশ হয়ে অন্য পথের সন্ধান শুরু করতে হয় তাকে। সম্প্রতি তেমনই এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছেন ব্রায়ান জনসন।নিজের যৌবন ফেরত পেতে সম্প্রতি তিনি হাইপারবেরিক অক্সিজেন থেরাপি নিয়েছেন।ওই থেরাপির জন্য তাকে ৫ হাজার ৪০০ মিনিট অর্থাৎ ৯০ ঘণ্টা একটি বায়ুর চাপ নিয়ন্ত্রিত বদ্ধ ট্যাঙ্কে কাটাতে হয়েছে। নিজের এ প্রচেষ্টাকে সফল প্রচেষ্টা হিসেবে দাবিও করেছেন তিনি।এ থেরাপি শেষে ইনস্টাগ্রাম ভিডিওতে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন জনসন।
ভিডিওতে তিনি বলেছেন,ফল যা হবে বলে ভেবেছিলেন তার থেকেও ভাল হয়েছে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এসেছ, শরীরের মাত্রাতিরিক্ত প্রদাহ নেই।অ্যালঝাইমার্স অন্তত ২৮.৬ শতাংশ কমেছে। পেটের ভাল ব্যাকটেরিয়া অনেকখানি বেড়েছে। আর সবচেয়ে বড় কথা হল বয়স বাড়লে ক্রোমোজোমের যে টেলোমেয়ারের দৈর্ঘ্য কমে যায়, তা এই চিকিৎসার পরে বেড়েছে।






