পেট্রোল ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি মেইতেইদের, মণিপুরে কার্ফু   

0
121
ছবি সৌজন্যে : এক্স
ইম্ফলের রাস্তায় সার দিয়ে দাঁড়িয়ে গায়ে-মাথায় পেট্রল ঢেলে আত্মহত্যার হুমকি মেইতেই বিক্ষোভকারীদের। তাঁর সঙ্গে হুমকি, ধৃত নেতাদের না ছাড়লে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেবেন তারা। রবিবার সকালে এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এস নিউজ। মেইতেই গোষ্ঠীর নেতা আরামবাই টেংগোলের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে অশান্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর।
শনিবার বিকেলেই রাস্তায় নামেন মেইতেইরা। চলছে বিক্ষোভ, স্লোগান। থৌবল, কাকচিং-সহ বেশ কিছু এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয়। ইম্ফলের কোয়াকেইথেল পুলিশ পোস্টে হামলা চালানোর অভিযোগও উঠেছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। কুকি গ্রামে হামলা চালানোর অভিযোগে মেইতেই আরামবাই টেংগোলেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরই ইম্ফল পূর্ব এবং ইম্ফল পশ্চিমে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভের জেরে ইম্ফল পশ্চিম, ইম্ফল পূর্ব, থৌবাল, বিষ্ণুপুর এবং কাকচিং জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় মণিপুর সরকার। পাশাপাশি ইম্ফল পূর্ব, ইম্ফল পশ্চিম, থৌবল এবং কাকচিঙে জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিষ্ণুপুরে জারি হয়েছে কার্ফু। কিন্তু এরপরেও ইম্ফল-সহ একাধিক এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে মেইতেই বিক্ষোভকারীরা। খুরাই লামলং এলাকায় একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।    কোয়াকেইথেল থেকে গুলি চালানোর খবর মিলেছে। তবে কে গুলি চালিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।
এর মধ্যেই ধৃত নেতাকে রাজ্যের বাইরে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। রাতেই ইম্ফল বিমানবন্দরের সামনে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। পুলিশের লাঠিচার্জে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।