
সকাল থেকে রাত, দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ উত্তপ্ত রইল মহেশতলা। দোকান-বাড়ি ভাঙচুর, বাইকে আগুন, পুলিশের গাড়ি, র্যাফের বাসেও ভাঙচুর।
ইটের আঘাতে রক্তাক্ত হয়েছেন ডিসি পোর্ট, পুলিশ সার্জেন্ট। রেহাই পেলেন না মহিলা কনস্টেবলও। নাগাড়ে চলতে থাকে ইটবৃষ্টি। বাড়ির ছাদ থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইট। আর এসব কিছুই হয়েছে রবীন্দ্রনগর থানা থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে। কম সংখ্যক বাহিনী নিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেই উত্তেজিত জনতার আক্রমণে কার্যত অসহায় দেখিয়েছে। কার্যত পুলিশই স্বীকার করে নিয়েছে অ্যাকশন নিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে বিক্ষোভরত উন্মত্ত জনতার হাতে রাশ চলে গিয়েছে। এরপর সেখানে পৌঁছন এডিজি দক্ষিণবঙ্গ, ডিআইজি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ সহ পুলিশের শীর্ষকর্তারা কয়েক ঘন্টা ধরে তাণ্ডব চলার পর অ্যাকশনে নামে পুলিশ এবং র্যাফ। বিক্ষোভকারীদের দিকে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু তারপরেও উত্তেজিত জনতাকে বাগে আনা যায়নি। রাতেও বেশ কয়েকবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।
বাধ্য হয়ে পুলিশকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৬৩ ধরা প্রয়োগ করতে হয়। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।








