
আমাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ একটি হচ্ছে দাঁত। বিভিন্ন কারণে এই দাঁতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।তবে দাঁতে ব্যথার যন্ত্রণা যে কত কষ্টের, সেটা ভুক্তভোগী ছাড়া অন্যরা খুব একটা বোঝেন না।
এই দাঁতের ব্যথা চোখে জল পর্যন্ত নিয়ে আসে।এ ছাড়া দাঁতে শিরশিরানিও বাড়িয়ে দেয়। তাই দাঁতের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য কিছু ভিটামিন ও অন্যান্য উপাদান খাবার তালিকায় রাখতে হয়।পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দাঁতের অসুখের কারণ হতে পারে। এর ফলে মাড়ির প্রদাহ, গহ্বর ও মাড়ির রোগসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে।কারণ ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতের খনিজকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখন প্রশ্ন হল,কিভাবে ভিটামিন ডি-এর অভাব পূরণ করবেন।প্রথম কথা,পরিপূরকের মাধ্যমে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা সহজ।এটি স্যামন, ম্যাকেরেল ও হেরিংয়ের মতো তৈলাক্ত মাছেও উপস্থিত রয়েছে। উপরন্তু, কিছু খাবার ভিটামিন ডি-তে ভরপুর, যেমন দুধ ও কিছু সকালে ব্রেকফাস্ট -এ।এর বাইরে,দাঁতের উপকারে আরো কিছু ভিটামিন কাজে আসতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। এটি শুধু দাঁতের জন্যই ভালো নয়,মাড়ির জন্যও একটি চমৎকার ভিটামিন। ভিটামিন সি মাড়ির সংযোজক টিস্যুগুলোকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে। যার ফলে দাঁতগুলো ঠিক জায়গায় থাকে।ভিটামিন সি এর অভাবে মাড়ি থেকে রক্তপাত এবং মাড়ির রোগ হতে পারে।ওদিকে,ভিটামিন সি শৈশবকালে ক্ষয়কারী দাঁতের ক্ষতির বহরও কমিয়ে দেয়। সাইট্রাস ফল, মরিচ, মিষ্টি আলু, ব্রোকলি, বেরিতে প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে।আরেকটি হচ্ছে ভিটামিন এ। এটি শুধু চোখ ও ত্বকের জন্যই ভালো নয়,মুখের জন্যও দারুণ। বিশেষ করে লালা উৎপাদনে কাজে আসে এই ভিটামিন। লালা খাবার ভাঙতে সাহায্য করে এবং দাঁতের মধ্য থেকে ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার করে।অন্যদিকে,কমলা রঙের ফল ও শাক-সবজি, যেমন গাজর, মিষ্টি আলু, বেল মরিচ, মাছ ও ডিমের কুসুমে ভিটামিন এ খুঁজে পেতে পারেন।
এটি একটি সম্পূরক হিসেবেও পাওয়া যায়।সেইসঙ্গে,দাঁত ভালো রাখতে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুধ ছাড়াও ব্রোকলি, বিট, বাঁধাকপি, আমন্ডে ক্যালসিয়াম আছে। এ ছাড়া মাছ, মাংস, ডিমসহ প্রোটিনজাত খাবার ও দুধে ফসফরাস পাবেন।
